DU BBA Subject Review

 সাব্জেক্ট রিভিউ BBA

--------------------------
বিবিএ কি? বিবিএ এর কোর্স,
BBA Professional, BBA তে ক্যারিয়ার,
BBA ইউনিভারসিটি Ranking*******
& Major Subject Ranking*******
*******BBA কি?
------------------------
ব্যাচেলর অব বিজনেস
এডমিনিস্ট্রেশন বা ব্যবসায়
অনুষদে স্নাতক বা বিবিএ
বা বি.বি.এ. হল বানিজ্য বিভাগ
এবং ব্যবসায় অনুষদে স্নাতক
ডিগ্রী। অধিকাংশ
বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ডিগ্রী তখনই
দেওয়া হয়, যখন কোন
শিক্ষার্থী চার বছর যাবৎ
ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এক
বা একাধিক বিষয়ে ফুলটাইম
পড়ালেখা করে। বিবিএ
প্রোগ্রাম সাধারণত সাধারণ
ব্যবসায় কোর্স ও বিশেষ ব্যবসায়
কোর্স (একাডেমিক মেজর) এই
দুইটি কোর্স দ্বারা গঠিত।
******** বাংলাদেশে বিবিএ :-
--------------------------------------
বাংলাদেশে ব্যবসা প্রশাসন
শিক্ষা বা বিবিএ-এমবিএ'র
জোয়ারটা শুরু হয়েছে মূলত
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হাত
ধরে, যদিও এই বিষয়ে পড়ানো শুরু
হয়েছিল স্বাধীনতার-ও আগে। ১৯৬৬
সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট
বা আইবিএ-তে এমবিএ প্রোগ্রামের
মাধ্যমে শুরু হয় এই ধারার পড়াশোনা,
এবং এর মাধ্যমেই
বাংলাদেশে ব্যবসা ব্যাপারটাকে প্রাতিষ্ঠানিক
পড়াশোনার আওতায় আনার
ধারণা চালু হয়। এর ২৭ বছর পর আইবিএ-
তেই ১৯৯৩ সালে বিবিএ
প্রোগ্রামের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাড
পর্যায়েও ব্যবসা প্রশাসন পড়ানো শুরু
হয়। তবে এখন যেমন
ডাক্তারি বা প্রকৌশলের মতই
ব্যবসা প্রশাসন পড়াশোনার জন্য দারুণ
চাহিদাসম্পন্ন একটি বিষয়, এর কৃতিত্ব
বা দোষ যা-ই বলা যাক,
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর।
পরিস্থিতি এখন অনেকটা এমন-ই
যে এটা প্রায় এসএসি পাশ করার মতই
অত্যাবশ্যকীয় একটা ব্যাপার
হয়ে গেছে চাকরির বাজারে, ঠিক
কেন এই
ডিগ্রিটা নিতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা থাক
আর না-ই থাক।
চাহিদার কারণেই
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মত
সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
অনেকগুলোতে খোলা হয়েছে ব্যবসা প্রশাসন
ইনস্টিটিউট, আসন
সংখ্যা বেড়েছে সবখানেই,
এবং ডাক্তার-প্রকৌশলীসহ
নানা পেশার মানুষজন-ও যা হোক
কোনভাবে একটা এমবিএ লাগানোর
জন্য সেগুলোতে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে ।
******* বিবিএ কেন?
----------------------------
এই
ডিগ্রিটা, বা পড়াশোনাটার কোন
দাম নেই সেরকম নয়, আর কিছু না হোক
ভালভাবে কথা বলতে বা যোগাযোগ,
সেটাকে কম্যুনিকেশান বলি আর
নেটওয়ার্কিং-ই বলি,
সোজা বাংলায় তদ্বিরবাজির
অনেক কলাকৌশল যে শেখানো হয়
তাতে সন্দেহ নেই, একই
সাথে খানিকটা উৎসাহের
সাথে পড়াশোনা করলে নিতান্ত
অগোছালো ব্যক্তিকেও বেশ
একটা সাজানো-
গোছানো উপায়ে নানা পেশার
নানারকম মানুষের সাথে কাজ করতে-
ও অভ্যস্ত করে তোলে, বর্তমানের
তীব্র প্রতিযোগিতার
বাজারে যে দক্ষতাগুলোকে কোনভাবেই
উড়িয়ে দেয়া চলে না। একই সাথে,
নানারকম বিষয়ের মিশেল বলে,
মানে ফিন্যান্স, মার্কেটিং,
হিউম্যান রিসোর্স বা মানবসম্পদ
ব্যবস্থাপনা, ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন
সিস্টেম এরকম কোন একটা পছন্দের
বিষয়ে বিশেষায়িত
পড়াশোনাতেও যাচ্ছে অনেকে,
ভবিষ্যত উজ্জ্বল-ও হচ্ছে।
বাংলাদেশে যেসব বহুজাতিক
কোম্পানি বা ব্যাংকগুলো কাজ
করছে, সেগুলোর জন্য
তো অত্যাবশ্যকীয়, ভাল
দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোও এরকম বিবিএ
বা এমবিএ-
ওয়ালা তৈরি চটপটে কর্মী ছাড়া আজকাল
নিয়োগ করতে চায় না।
******** বিবিএ তে ক্যারিয়ার
-----------------------------------------
বিবিএ
পড়তে আগ্রহী হওয়ার
পেছনে যে কারণগুলো আছে তার
একটি হলো এ
ক্ষেত্রে চাকরিতে প্রসার লাভ
করা।
এক্ষেত্রে সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর
সুযোগ থাকায়
শিক্ষার্থীরা নিজেদের
উদ্ভাবনী ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যবসা
-বাণিজ্যের জগতে নানা পরিবর্তন
নিয়ে আসছেন। চাকরির
বাজারে বিবিএ শিক্ষার্থীদের
জন্য ব্যাংক, বীমাসহ বিভিন্ন
সরকারি-বেসরকারি আর্থিক
প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক
প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ,
নিরীক্ষা বিভাগ, ট্যাক্স, আর্থিক
প্রশাসন, আর্থিক
ব্যবস্থাপনা বিভাগে কাজের
সুযোগ রয়েছে।
এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক
হিসেবেও
চাহিদা রয়েছে বিবিএ
ডিগ্রীধারীদের। আবার
যারা ব্যবসা করতে পছন্দ করেন
বিভিন্ন
উদ্যোক্তা হয়ে তারা কাজ
করে সাফল্য লাভ করতে পারেন।
বিবিএ শিক্ষার্থীরা ব্যবসার
বিভিন্ন শাখায় জ্ঞানলাভ
করতে পারেন যেখানে অন্য
কোর্সগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়
তারা একটি কিংবা দু’টি বিষয়
নিয়ে পড়াশোনা করেন।
তবে চাকরি পাওয়ার
নিশ্চয়তা নির্ভর করে একজন
শিক্ষার্থীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ওপর।
তাই বিবিএ সনদ একজন শিক্ষার্থীর
চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়
বরং চাকরির প্রতিযোগিতামূলক
বাজারে প্রবেশের ছাড়পত্র মাত্র।
ব্যবসা প্রশাসনের
শিক্ষার্থী মাশাহেদ হাসানের
মতে, বিবিএ করে দুই ধরনের কাজ
করা যায়। উদ্যোক্তা হয়ে নিজের
মতো কাজ নয়তো অন্যের
অধীনে চাকরি করা।
উদ্যোক্তা হতে যেহেতু আর্থিক
মূলধন দরকার আর
তা প্রাথমিকভাবে সংগ্রহ
করা আমার জন্য খুব সহজ নয়। তাই
আমার লক্ষ্য বিবিএ
শেষে বিশেষায়িত
কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা।
আমার পছন্দের ক্ষেত্র হচ্ছে বিপণন
বা মার্কেটিং। আমি মনে করি,
মানুষকে প্রভাবিত করে কিছু
প্রতিষ্ঠিত
করতে পারাটা একটি শিল্প; যা শুধু
বাজারজাতকরণের মাধ্যমে সম্ভব।
আমি চাই
মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে।
****** বিবিএ এর পড়াশোনা বা কোর্স :-
-----------------------------------------------------
বিবিএ
কোর্সে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম
৪০টি কোর্স সম্পন্ন করতে হয়।
এতগুলো বিষয়ে জ্ঞান থাকার
ফলে পরবর্তী সময়ে তারা ব্যবসা-
বাণিজ্য বেশ দক্ষতার
সঙ্গে পরিচালনা করতে পারেন।
বিবিএ পড়ুয়াদের বিষয়ভিত্তিক
জ্ঞান থাকতে হবে স্বচ্ছ ও নির্ভুল।
আর বিবিএ এর ম্যাজর সাব্জেক্ট নিয়া কিছু
বললাম না কারণ এইটা সবাই জানে।
****** ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি এর বিবিএ প্রোফেশনাল :-
------------------------------------------------
আধুনিক যুগের চাহিদা ও
আন্তর্জাতিক শিক্ষার মানের
সাথে তাল মিলিয়ে জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় চালু করে বিবিএ
(অনার্স) প্রফেশনা কোর্স। জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় এই কোর্সটি চালু
করার মাধ্যমে বাংলাদেশের
বাণিজ্য বিভাগের
শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক
শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পরিচয়
করিয়ে দেয় কারণ আমরা আমাদের
দেশে যে বিবিএ(অনার্স)
প্রফেশনাল
কোর্সটি করি তা বিদেশী নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়
গুলোতেও পড়ানো হয়। বিবিএ
(অনার্স) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধীনে ৪ বছর(৮ সেমিস্টার)
মেয়াদী একটি কোর্স যার
বিষয়গুলো হল হিসাব বিজ্ঞান,
ব্যবস্থাপনা এবং মার্কেটিং ও
ফিন্যান্স।
কোর্সটি পুরোপরি ইংরেজি মাধ্যমে।
বাংলাদেশে দু’ধরনের বিবিএ
কোর্স রয়েছে। একটি একাডেমিক
ও অন্যটি প্রফেশনাল। সকল পাবলিক
ও প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক
বিবিএ (অনার্স) পড়ানো হয়। শুধু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের আইবিএ-
তে এবং জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল
বিবিএ পড়ানো হয়
যেখানে অনার্স শেষে ৩মাস
ব্যাপী ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ
পায় শিক্ষার্থীরা।
ফলে চাকরিতে প্রবেশের আগেই
অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তারা। এই
কোর্সে কোন সেসনজট নেই
(জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসারে
) এবং নির্দিষ্ট সময়ের
বাইরে বেশি সময় ব্যয় করতে হয় না।
ব্যাংকিং সেক্টর বা অন্যান্য
চাকরির ক্ষেত্রে রয়েছে এর
ব্যাপক চাহিদা। এই কোর্স সম্পন্ন
করার পর এক বছরের এক বছরের এম.বি
.এ করার সুযোগ পাবেন
শিক্ষার্থীরা।
কোর্সটি পুরোপুরি ইংরেজি মাধ্যমে হওয়াতে চাকরির
ক্ষেত্রে মুল্যায়ন করা হয় বেশি।
যেকোন বিভাগের
ছাত্রছাত্রীরা এই
কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

Ranking এই রকম--
(অনেক বিবিএ /এমবিএ এর চাকরী এর সার্কুলার বিবেচনায়)
IBA DU
DU
JU
NSU
EWU
IUB
BRACU
(এই Ranking নিয়ে কেউ তর্ক করবেন না কারণ বিভিন্ন চাকরী এর সারকুলারে(bdjobs dot com) আমি নিজে দেখেছি এই রকমভাবেই ভার্সিটি এর নাম দেওয়া থাকে।BTW যারা অন্য পাবলিক এ বিবিএ পড়ছেন তাদের চিন্তার কোন কারণ নাই।Coz Public is Public.....)
*****Top Major Subject
-----------------------------
**** Marketing
****Finace
****HR
****Manegment (এই Ranking টা আমাদের ঢাবি এর IBA এর ১০ জন ভাইয়্যার মতামত এর ভিত্তিতে দিছি)
এই Major Subjects গুলা নিয়ে কোনটাতে কোন সেক্টর তা নিয়ে আর একদিন আলোচনা করব।



Muinuddin Gaus

Mohammad Muinuddin Gaus is a student of Islamic Studies at , known for active leadership, volunteering, and cultural engagement. His university life includes roles in student organizations, event management, public relations, and BNCC leadership as a Cadet Sergeant. He has organized campus programs, relief activities, and youth initiatives while developing strong communication and management abilities. Gaus has traveled across all 64 districts of Bangladesh, exploring local cultures, heritage, landscapes, and communities. His interests include travelling, cultural anthropology, content creation, leadership, and social impact. He is skilled in communication, public speaking, event coordination, networking, research, and team management. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন গাউছ -এর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি নেতৃত্ব, স্বেচ্ছাসেবা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও জনসংযোগমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়। BNCC ক্যাডেট সার্জেন্ট হিসেবে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক উদ্যোগে কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা ভ্রমণ করেছেন, যেখানে সংস্কৃতি, ইতিহাস, প্রকৃতি ও মানুষের জীবনধারা কাছ থেকে জানার সুযোগ পেয়েছেন। তার আগ্রহের ক্ষেত্র ভ্রমণ, সংস্কৃতি, কনটেন্ট ক্রিয়েশন...

Post a Comment

Previous Post Next Post